Warning: in_array() expects parameter 2 to be array, string given in /home/mornings/public_html/e-pathshala.net/wp-content/themes/Theme/framework/plugins-support/woocommerce/woocommerce.php on line 21

Warning: in_array() expects parameter 2 to be array, string given in /home/mornings/public_html/e-pathshala.net/wp-content/themes/Theme/framework/plugins-support/woocommerce/woocommerce.php on line 24

Warning: in_array() expects parameter 2 to be array, string given in /home/mornings/public_html/e-pathshala.net/wp-content/themes/Theme/framework/plugins-support/woocommerce/woocommerce.php on line 27
‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ : মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা ও দেশদ্রোহিতার বিরুদ্ধে ঘৃণা - ই-পাঠশালা

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, আজকে আমরা আলোচনা করবো একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্য বইয়ের কবিতা ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ নিয়ে। চলো শুরু করা যাক-

আধুনিক বাংলা কবিতার অগ্রদূত, বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪ — ১৮৭৩) রচিত ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১) সাহিত্যিক মহাকাব্যের আঙ্গিকে রচিত একটি শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য। ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মহাকবি বাল্মীকির ‘রামায়ণ’ অবলম্বনে রচিত সাহিত্যিক মহাকাব্য। উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাল্মীকি রামায়ণকে নবমূল্য দান করেছেন এ কাব্যে। মানবকেন্দ্রিকতাই রেনেসাঁস বা নবজাগরণের সারকথা। ঐ নবজাগরণের প্রেরণাতেই রামায়ণের রাম লক্ষ্মণ মধুসূদনের লেখনীতে হীনরূপে এবং রাক্ষসরাজ রাবণ ও তার পুত্র মেঘনাদ যাবতীয় মানবীয় গুণের ধারকরূপে উপস্থাপিত। আমাদের আলোচ্য বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কাব্যাংশটুকু মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্যর ‘বধো’ (বধ) নামক ষষ্ঠ স্বর্গ থেকে সংকলিত হয়েছে। সর্বমোট নয়টি স্বর্গে বিন্যস্ত ‘মেঘনাদবধ কাব্যে’-র ষষ্ঠ স্বর্গে লক্ষ্মণের হাতে অন্যায় যুদ্ধ মৃত্যু ঘটে অসমসাহসী বীর মেঘনাদের।

রামচন্দ্র আর রাবণের যুদ্ধের খবর তো সবাই জানো। হিন্দুধর্মীয় ধর্মগ্রন্থ  ‘রামায়ন’ এ এই যুদ্ধের কথা বর্ণিত আছে। যুদ্ধে রামচন্দ্রের জয় এবং রাবণের পরাজয় হয়। কবিতাটি বোঝার আগে এর চরিত্র আর পেছনের ইতিহাস জানা খুব জরুরি। চলো আগে সংক্ষেপে ইতিহাসটা জেনে নিই।

রাবণ লঙ্কার রাজা। তিনি অন্যায় ভাবে রামচন্দ্রের স্ত্রী সীতাকে অপহরণ করে লঙ্কায় নিয়ে যান।  রামচন্দ্র, তার ভাই লক্ষণ আর বানর সৈন্য নিয়ে লঙ্কায় হামলা করে। বিভীষণ ছিল রাবণের ভাই। তিনি তার ভাইয়ের করা অন্যায় মেনে নিতে পারেন নি। তাই তিনি রামচন্দ্রের দলে যোগ দেন। যুদ্ধ চলতে থাকে দু’পক্ষে। রাবণের সকল পুত্র যখন একে একে যুদ্ধে মারা যেতে থাকে, তখন রাবণের আরেক পুত্র মেঘনাদ যুদ্ধে নামে। শিবপুরাণ থেকে জানা যায়, মেঘনাদ দেবতা শিবের কৃপায় পরম পরাক্রমশালী হয়েছিলেন। তাকে হারানো খুবই কঠিন ছিল। তাকে হারানোর উপায় বলে দিল তারই চাচা বিভীষণ, অর্থাৎ রাবণের ভাই। উপায়টি হল- মেঘনাদ যুদ্ধে যাবার আগে ইষ্টদেবতা অগ্নিদেবের পুজো করে যায়, এই পুজো ভঙ্গ করলেই মেঘনাদকে হারানো সহজ। এভাবে লক্ষ্মণ, তার সাথে বিভীষণকে নিয়ে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে হাজির হয়। সেখানেই মেঘনাদ অগ্নিদেবের পুজো করে। এক্ষেত্রে তারা মায়া দেবীর সহায়তা নেয়, এবং শত শত প্রহরীর চোখ ফাঁকি দিয়ে যজ্ঞাগারে পৌঁছে যায়। মেঘনাদ এর আর বুঝতে বাকি থাকে না যে এই কাজ একমাত্র তার চাচার কাজ। লক্ষ্মণ তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করে। তখন মেঘনাদ আর বিভীষণ, অর্থাৎ চাচা-ভাতিজার মধ্যে যে কাল্পনিক কথোপকথন হয়, সেটা নিয়েই কবিতা আমাদের পাঠ্যবইয়ের ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ অংশটুকু। অতঃপর মেঘনাদের মৃত্যু ঘটে। তিনি ছিলেন একজন বড় বীর। দেশপ্রেমিক। পিতাকে অনেক ভক্তি-শ্রদ্ধা করত। তাই সীতাকে অপহরণ করে আনলেও তিনি নিজ দেশ আর পিতার পক্ষ নেন। আলোচ্য কবিতায় সব কিছু দেশপ্রেম, জাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব এর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়েছে।

 

চলো এবার তোমার পাঠ্যবইয়ের কবিতাটা পড়ে নিই এবং কবিতার নিচে প্রতিটি লাইনের ব্যাখ্যা জেনে নিই- 

 

বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ

মাইকেল মধুসূদন দত্ত 

 

“এতক্ষণে”- অরিন্দম কহিলা বিষাদে,
“জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিল
রক্ষপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব এ কাজ?

নিকষা সতী তোমার জননী!
সহোদর রক্ষ:শ্রেষ্ঠ!
শূলিশম্ভুনিভ কুম্ভকর্ণ!
ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী!

নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?
চন্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?
কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরু জন তুমি

পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে,
পাঠাইব রামানুজে শমন- ভবনে,
লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে

উত্তরিলা বিভীষণ, “বৃথা এ সাধনা,
ধীমান্। রাঘবদাস আমি; কী প্রকারে তাঁহার বিপক্ষ কাজ করিব, রক্ষিতে অনুরোধ?”

উত্তরিলা কাতরে রাবণি;-
“হে পিতৃব্য, তব বাক্যে ইচ্ছি মরিবারে!
রাঘবের দাস তুমি? কেমনে ও মুখে আনিলে এ কথা, তাত, কহ তা দাসেরে!”

স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;
পড়ি কি ভূতলে শশী যান গড়াগড়ি
ধূলায়? হে রক্ষোরথি, ভুলিলে কেমনে
কে তুমি? জনম তব কোন মহাকূলে?

স্বচ্ছ সরোবরে
করে কেলি রাজহংস
পঙ্কজ-কাননে যায় কি সে কভু, প্রভু, পঙ্কিল সলিলে,
শৈবালদলের ধাম?

মৃগেন্দ্র কেশরী,
কবে, হে বীরকেশরী,
সম্ভাষে শৃগালে মিত্রভাবে?
অজ্ঞ দাস, বিজ্ঞতম তুমি
অবিদিত নহে কিছু তোমার চরণে।

ক্ষুদ্রমতি নর, শূর, লক্ষ্মণ, নহিলে
অস্ত্রহীন যোধে কি সে সম্বোধে সংগ্রামে?
কহ, মহারথী, এ কি মহারথীপ্রথা?
নাহি শিশু লঙ্কাপুরে, শুনি না হাসিবে
এ কথা! ছাড়হ পথ; আসিব ফিরিয়া এখনি!

দেখিব আজি, কোন দেববলে,
বিমুখে সমরে মোরে সৌমিত্রি কুমতি!
দেব-দৈত্য-নর-রণে, স্বচক্ষে দেখেছ,
রক্ষ:শ্রেষ্ঠ, পরাক্রম দাসের!
কী দেখি ডরিবে এ দাস হেন দূর্বল মানবে?

নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রগলভে পশিল
দম্ভী; আজ্ঞা কর দাসে, শাস্তি নরাধমে।
তব জন্মপুরে, তাত, পদার্পণ করে বনবাসী!
হে বিধাত:, নন্দন-কাননে ভ্রমে দুরাচার দৈত্য?
প্রফুল্ল কমলে কীটবাস?

কহ তাত, সহিব কেমনে?
হেন অপমান আমি,- ভ্রাতৃ-পুত্র তব?
তুমিও, হে রক্ষোমণি, সহিছ কেমনে?”
মহামন্ত্র-বলে যথা নম্রশির: ফণী,
মলিনবদন লাজে,

উত্তরিলা রথী
রাবণ-অনুজ, লক্ষি রাবণ-আত্মজে;
“নহি দোষী আমি, বৎস; বৃথা ভর্ৎস মোরে তুমি!
নিজ কর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা
এ কনক-লঙ্কা রাজা, মজিলা আপনি!

বিরত সতত পাপে দেবকুল;
এবে পাপপূর্ণ লঙ্কাপূরী;
প্রলয়ে যেমতি বসুধা
ডুবিছে লঙ্কা এ কালসলিলে!
রাঘবের পদাশ্রয়ে রক্ষার্থে আশ্রয়ী
তেঁই আমি। পরদোষে কে চাহে মজিতে?”

রুষিলা বাসবত্রাস! গম্ভীরে যেমতি
নিশীথে অম্বরে মন্দ্রে জীমূতেন্দ্র কোপি,
কহিলা বীরেন্দ্র বলী,

“ধর্মপথগামী, হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতে তুমি;-
কোন ধর্ম মতে, কহ দাসে, শুনি,
জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি,- এ সকলে দিলা জলাঞ্জলি?
শাস্ত্রে বলে, গুণবান্ যদি পরজন, গুণহীন স্বজন,
তথাপি নির্গুন স্বজন শ্রেয়:,
পর: পর: সদা!

এ শিক্ষা, হে রক্ষোবর, কোথায় শিখিলে?
কিন্তু বৃথা গঞ্জি তোমা! হেন সহবাসে,
হে পিতৃব্য, বর্বরতা কেন না শিখিবে?
গতি যার নীচ সহ, নীচ সে দুর্মতি।”

 

কবিতার প্রতিটি লাইনের ব্যাখ্যা জেনে নিই-  

এতক্ষণে মেঘনাদ (এখানে অরিন্দম হল মেঘনাদ) দুঃখভারাক্রান্ত মনে বা বিষাদের সুরে বললো, জানি বা জানলাম লক্ষণ কিভাবে পৌছালো রাক্ষসপুরে। চাচা, তোমার এ কাজ কি ঠিক হয়েছে? তোমার মা নিকষা সতী (এখানে ‘নিকষা’ হল বিভীষণের মা)। তোমার ভাই রাবণ রাক্ষসপুরের শ্রেষ্ঠ রাজা। তোমার মেজ ভাই কুম্ভকর্ণ (যিনি শিব বা মহাদেবের মতো বা ত্রিশূলের দেবতা)। তোমার ভাতিজা (মেঘনাদ নিজেই) বাসব বিজয়ী (ইন্দকে যে জয় করেছে)। তুমি উচ্চ বংশের হয়েও চোরকে দেখিয়ে দিলে নিজের ঘরের পথ। নিম্নশ্রেণির লোককে তুমি বসালে রাজার আসনে বা ঠাঁই দিলে রাজার ঘরে। কিন্তু তোমাকে আমি তিরস্কার করছি না, তুমি আমার গুরুজন। দরজার থেকে সরে যাও, আমি অস্ত্র আনতে যাবো। রামের অনুজ বা ছোট ভাই লক্ষণকে পাঠাবো মৃত্যুপুরীতে বা নরকে। লক্ষণ এসে লঙ্কাকে যে কলঙ্ক করেছে, যুদ্ধ দ্বারা তা মোচন করবো বা দূর করবো। বিভীষণ উত্তর দিলো, জ্ঞানী তুমি যে অস্ত্র আনার সুযোগ চেয়েছো তা সত্যিই বৃথা।আমি রামের দাস বা চাকর; তোমার অনুরোধ রাখতে, কি ভাবে তার বিরোধী বা বিরুদ্ধে কাজ করি? রাবণের পুত্র বা মেঘনাদ কাতর বা মন খারাপের স্বরে উত্তর দিলো, হে গুরুজন বা চাচা, তোমার কথা শুনে আমার মরে যেতে ইচ্ছে হচ্ছে। রামের চাকর তুমি এই কথা মুখে আনলে কিভাবে? চাচা, তুমি বলতে পারো এই দাসকে (বিনয় করে মেঘনাদ নিজেকে দাস বলেছে)। ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তা আকাশে চাঁদ স্থাপন করেছে; আকাশের চাঁদ কখনো মাটিতে বা ধূলায় গড়াগড়ি খায় না। উচ্চ বংশের বিভীষণকে রাম-লক্ষ্মণের সাথে বন্ধুত্ব করা মানায় না।  হে রক্ষোরথি বা চাচা রাক্ষসকুলের বীরকে তা কী করে ভুলে গেলেন? হীন, তুচ্ছ, নিন্দিত রাম সে কে?  পরিষ্কার পানির পুকুরের পদ্মফুলের বাগানে রাজহাঁস খেলা করে; সে কি কখনো কাঁদা পানির শ্যাওলায় যায়। কেশরযুক্ত পশুরাজ সিংহ কখনো শিয়ালকে বন্ধু করে নেয় না। (বিভীষণ এখানে সিংহ এবং রাম-লক্ষ্মণ শিয়ালতুল্য।)  আমি তোমার অজ্ঞদাস। তুমি তো বিজ্ঞ। তোমার তো কিছু অজানা নেই।
লক্ষণ নিতান্তই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্রমনা বীর। নাহলে কি সে অস্ত্রহীনকে যুদ্ধে আহবান জানায়? বলো বীর, এটা বীরের প্রথা? লঙ্কাপুরীতে এমন কোনো শিশু নেই যে এ কথা শুনে হাসবে না। পথ ছেড়ে দাও। এখনি ফিরে আসবো। দেখবো, কোন্‌ দৈব ক্ষমতাবলে সুমিত্রার সন্তান লক্ষ্মণ আমাকে বাঁধা দেয়। দেবতা, দৈত্যের, নরের যুদ্ধে আমার পরাক্রম বা ক্ষমতা তুমি দেখেছো। কী দেখে তোমার এরকম একজন দুর্বল মানুষকে দেখে তোমার এ দাস ভয় পাবে।
মেঘনাদের যজ্ঞ বা পূজার স্থানে অহংকারের মতো বা দাম্ভিকতার মতো বা বীরের মতো প্রবেশ করলো। এ দাসকে আজ্ঞা করো, নরাধমকে শাস্তি দেই।
হে পিতৃব্য, তোমার জন্মভূমিতে এক বনবাসী ঢুকে পড়েছে। হে বিধানকর্তা, স্বর্গীয় উদ্যানে এক দুরাচার দৈত্য ভ্রমণ করছে। ফুটন্ত পদ্মফুলে এক কীট ঢুকে পড়েছে। বলো পিতৃব্য, তোমার ভাতৃপুত্র হয়ে এ অপমান আমি কী করে সইবো। তুমি রাক্ষসকুলের মণি হয়ে কিভাব মেনে নিচ্ছো। প্রচণ্ড মন্ত্রের শক্তিতে সাপ লজ্জায় যেভাবে মাথানত করে, রাবণের ছোটভাই বিভীষণও তেমনি মাথানত করে মেঘনাদকে লক্ষ্য করে উত্তর দিল, “হে বৎস আমি দোষী নই। অহেতুক তুমি আমাকে দোষী করছো। নিজ কর্মদোষে এ স্বর্ণালঙ্কার রাজা লঙ্কাকে মজিয়েছে এবং নিজেও মজেছে। দেবকূল সর্বদা পাপ থেকে দূরে থাকে, কিন্তু আজ লঙ্কাপুরী পাপে পূর্ণ হয়ে গেছে। প্রলয় বা ঝড়ে যেভাবে পৃথিবী ধ্বংস হয়, সেভাবে লক্ষ্মণ যেন এক অশুভ কালজলে নিমজ্জিত হচ্ছে। সেজন্য আমি রামের পায়ের কাছে আশ্রয় নিয়েছি। পরের দোষে আমি কেন মগ্ন হবো? ভয়ংকরভাবে রেগে গেল মেঘনাদ। রাতে আকাশে যেভাবে ভয়ানকরূপে মেঘ গর্জে ওঠে সেভাবে বীর বলবান (মেঘনাদ) বললো, হে ধর্মগামী, তুমি কোন ধর্মমতে জাতি, কুল সম্পর্ক সব বিসর্জন দিলে শাস্ত্রে বলা হয়েছে, গুণবান পরজনের চেয়ে নির্গুণ স্বজন উত্তম। পর সবসময় পর থাকে। এই যে আত্মীয় স্বজনকে ত্যাগ করার শিক্ষা, হে রাক্ষসকূলের কর্তা, তুমি কোথায় শিখিলে? কিন্তু অহেতুক তোমাকে তিরস্কার করছি। যাদের সঙ্গে তুমি বন্ধুত্ব করে বসবাস করছো, তাদের কাছে বর্বরতা তুমি কেনই বা শিখবে না? নীচ প্রকৃতির মানুষের সঙ্গে যার বসবাস, তার মন তো নীচ হবেই।

 

 


ই-পাঠশালা’র একাডেমিক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণধর্মী ক্লাসগুলো ভালো লাগলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না। এবং আরও ক্লাস পেতে চোখ রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজ : ই-পাঠশালা । e-pathshala এবং ইউটিউব চ্যানেল : e-pathshala । 

 


ই-পাঠশালা’র ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার/আপনার লেখাটি ই-মেইল করতে পারো/পারেন এই ঠিকানায়:  Support@E-Pathshala.Net 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Fill out this field
Fill out this field
Please enter a valid email address.
You need to agree with the terms to proceed

Menu