Warning: in_array() expects parameter 2 to be array, string given in /home/mornings/public_html/e-pathshala.net/wp-content/themes/Theme/framework/plugins-support/woocommerce/woocommerce.php on line 21

Warning: in_array() expects parameter 2 to be array, string given in /home/mornings/public_html/e-pathshala.net/wp-content/themes/Theme/framework/plugins-support/woocommerce/woocommerce.php on line 24

Warning: in_array() expects parameter 2 to be array, string given in /home/mornings/public_html/e-pathshala.net/wp-content/themes/Theme/framework/plugins-support/woocommerce/woocommerce.php on line 27
'কাকতাড়ুয়া' ইতিহাসের এক গৌরবময় দলিল - ই-পাঠশালা

‘কাকতাড়ুয়া’ কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত শিশুতোষ উপন্যাস। ‘কাকতাড়ুয়া’ উপন্যাসটি ইতিহাসের এক গৌরবময় দলিলও। কাকতাড়ুয়া উপন্যাসটি নবম-দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্রের সহপাঠের একটি অংশ। আজকে আমরা সেলিনা হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস কাকতাড়ুয়ার কতকথা জানবো।

 

উপন্যাসের নাম : কাকতাড়ুয়া 
লেখকের নাম : সেলিনা হোসেন
কাকতাড়ুয়া উপন্যাসের চরিত্রের নামগুলো হলো : বুধা, কুন্তি, নোলক বুয়া, হরিকাকু, আহাদ মুন্সি, আলি, মিঠু, ফুলকলি, রাজাকার কুদ্দুস ও মুক্তিযোদ্ধা শিল্পী শাহাবুদ্দিন।

 

কাকতাড়ুয়া উপন্যাসের মূল গল্পটা সংক্ষেপে নিম্নে ‍তুলে ধরা হলো –

সেলিনা হোসেন রচিত ‘কাকতাড়ুয়া’ একটি বিখ্যাত শিশুতোষ উপন্যাস। উপন্যাসটি আমাদের ইতিহাসের এক গৌরবময় দলিল। এটি ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। উপন্যাসটির আখ্যানভাগ বা প্লটটিকে চমৎকারভাবে গড়ে তুলেছেন লেখক। ‘কাকতাড়ুয়া’ হলো বুধা নামের এক এতিম সাহসী কিশোর মুক্তিযোদ্ধার কাহিনি।

এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বুধা। তাকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে এর কাহিনী। সে কিশোর কিন্তু ভীষণ সাহসী। ছেলেবেলায় সে ভয়ের গল্প শোনেনি। ভয় কি, তা-ই সে জানে না। বাবা-মা, ভাই-বোন মারা যাওয়ার কথা মনে হলে তার আর ভয় থাকে না। তার এক চাচি আর চাচাতো বোন কুন্তি ছাড়া তিন কূলে চপন বলতে কেউ নেই। তবে আজ না থাকলেও একদিন ছিল। সে বছর দুয়েক আগের কথা। তার সবকিছুই ছিল। কিন্তু এক রাতে কলেরায় সবাই মারা গেল। শুধু ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেল বুধা। চাচির বাড়িতে প্রথম আশ্রয় মিলেছিল। কিন্তু দারিদ্র্যের কথা তুললে বুধা সেই বাড়ি ত্যাগ করে। সেই থেকে বুধা একা। যখন যেখানে খুশি রাত কাটায়। আর ক্ষিদে পেলে নোলক বুয়ার মুড়ি ভাজা আছে। চায়ের দোকানে কাজ করে দিলে চা-বিস্কুট খেতে পায়। এসব নিয়ে তার কোন চিন্তা নেই। সে খোলা মাঠে প্রায় সময়ই কাকতাড়ুয়া ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকে। তাই গাঁয়ের লোক তার নাম দিয়েছে কাকতাড়ুয়া। পুরো গ্রাম আর হাট বাজার হয়ে উঠল তার বিচরণক্ষেত্র। কিন্তু একদিন ঐ গ্রামে মিলিটারি ঢুকে পড়ল। পুড়িয়ে দিল বাজারের দোকানপাট। একে একে সবাই গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে লাগল। কিন্তু সে অন্যদের মতো গ্রাম ছেড়ে, বুকের ভেতর জাগিয়ে তুলে প্রতিশোধের আগুন। কিন্তু সে তো খুব ছোট, যুদ্ধ করবে কী করে? এক রাতে মুক্তিযোদ্ধা আলী ও মিঠু রাতের আঁধারে গ্রামে এলো। বুধাকে বলল স্কুলের মিলিটারি ক্যাম্পটা উড়িয়ে দিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ল বুধা। প্রথমে পুড়িয়ে দিল শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান আহাদ মুন্সীর বাড়ি। তারপর রাজাকার কমান্ডারের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিল। তারপর মুক্তিযোদ্ধাদের নেতা শিল্পী শাহাবুদ্দিন তাকে মাইন পুতে ক্যাম্পটা উড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব দিলেন। ব্যাঙ্কার খোঁড়বার সময় কৌশলে সে তার ভেতর মাইন পুঁতে চলে এলো নদীর ধারে। এখানেই আপেক্ষা করছিলেন শাহাবুদ্দিন ও তাঁর সহযোদ্ধারা। পাকিস্তানি সেনারা ব্যাঙ্কারে ঢুকতেই পুরো ক্যাম্পটা মাইনের বিস্ফোরণে উড়ে গেল। তাদের অভিযান সফল হলো। তাদের নৌকা সরে গেল নিরাপদ দূরত্বে। সংক্ষেপে এই হচ্ছে কাকতাড়ুয়া উপন্যাসের কাহিনী। এক সাহসী কিশোর মুক্তিযোদ্ধার কাহিনী।

 

 

ই-পাঠশালা’র একাডেমিক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণধর্মী ক্লাস, ব্লগগুলো ভালো লাগলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না। এবং আরও ক্লাস পেতে চোখ রাখুন আমাদের ফেসবুক পেজ : ই-পাঠশালা । e-pathshala এবং ইউটিউব চ্যানেল : e-pathshala

ই-পাঠশালা’র ব্লগের জন্য কোনো লেখা পাঠাতে চাইলে, সরাসরি তোমার/আপনার লেখাটি ই-মেইল করতে পারো/পারেন এই ঠিকানায়:  Support@E-Pathshala.Net 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Fill out this field
Fill out this field
Please enter a valid email address.
You need to agree with the terms to proceed

Menu